স্কুলে বিয়ের অনুষ্ঠানের অনুমতি না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষককে লাঞ্জিত করায় মো. হারুন খান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহসভাপতি। গত শনিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক চার জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, স্কুলটির ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক কমিটির সদস্য একরাম মিয়া। তিনি স্কুলে তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে অনুমতি চান। কিন্তু করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় তিনি অনুমতি দেননি। পরবর্তী সময় অনুমতি ছাড়াই গত ২৫ জুন স্কুলে বিয়ের আয়োজন করেন একরাম মিয়া। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ে বন্ধ করে দেন জেলা প্রশাসনের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। স্কুলে বিয়ে অনুষ্ঠান করতে না দেওয়ায় শিক্ষকদের ওপর ক্ষেপে যান আসামিরা। এ ব্যাপারে শিক্ষা বোর্ডে অভিযোগ করা হয়। গত ৩০ জুন পাঁচলাইশ ও ডবলমুড়িং থানার শিক্ষা অফিসার শফিউল আলমের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল স্কুলে আসে। এ সময় প্রধান শিক্ষকসহ আরো কয়েক জন শিক্ষক স্কুলে আসেন। আসামিরা রুমে ঢুকে প্রধান শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। তারা প্রধান শিক্ষককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ডবলমুড়িং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, ‘মনছুরাবাদ খান সাহেব আবদুল হাকিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে চার জনকে আসামি করে মামলার পর হারুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’