মেগা প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ অর্থ দিয়ে অতিদ্রুত টিকা কেনার আহ্বান বিএনপির

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, করোনা সংক্রমণ সংকটকে জাতীয় পর্যায়ে এক নম্বর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। টিকা কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ অন্য খাত থেকে বিশেষ করে মেগা প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ অর্থ ডাইভার্ট করে টিকা কেনা অতি জরুরি। ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ নয়, কোটি কোটি ডোজ টিকা আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে করোনা চার/ছয় মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। বিএনপি বিশ্বাস করে দেশের জনসংখ্যার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষকে অতি শিগিগরই টিকা দেওয়ার মাধ্যমেই একমাত্র করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফাইজার ও সিনোফার্মের সীমিত ভ্যাকসিন নিয়ে সরকার লোক দেখানো গণটিকা কর্মসূচি শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী ও কর্মকর্তারা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে জনগণকে মহাবিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। গত ছয় মাসে আড়াই শতাংশের বেশি মানুষকে টিকা দিতে পেরেছে সরকার। করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে হবে। যেখানে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা দরকার সেখানে দেশে মজুত আছে মাত্র ৫০ লাখের একটু বেশি টিকা।

গতকাল সোমবার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতে গিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে দলের ‘করোনার ভ্যাকসিন সংগ্রহ-বিতরণ-পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত কমিটি’র আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সরকারের কাছে এ দাবি জানান। ড. মোশাররফ বলেন, বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যত টিকা লাগে কেনা হবে। কিন্তু কোথা থেকে কেনা হবে, কবে নাগাদ কেনা হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট বক্তব্য রাখেননি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, ডা. রফিকুল ইসলাম এবং অধ্যাপক আবদুস সালাম।