ভার্চুয়ালে ড্যাফোডিলের আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

 

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হলো ‘উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিতকরণে আঞ্চলিক সহযোগিতার তাত্পর্য’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম। সিম্পোজিয়ামে তিনটি সেশনে ভারত, নেপাল, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ থেকে ১২ টি পেপার উপস্থাপন করা হয়।

গত মঙ্গলবার সিম্পোজিয়ামের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেজবাহউদ্দীন আহমেদ। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এসএম মাহবুব উল হক মজুমদার এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিম্পোজিয়াম চেয়ার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম ফজলুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত সচেতন। ইতিমধ্যে উচ্চশিক্ষাসহ জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আঞ্চলিক সংঘ সমূহের সঙ্গে সরকার কাজ করছে। এই সহযোগিতা আরও বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে ত্বরান্বিত করবে। সরকার এসডিজির লক্ষ্যগুলো খুব ভালোভাবে পূরণ করার চেষ্টা করছে। এসডিজির অন্যতম এক লক্ষ্য গুণগতমানের উচ্চশিক্ষা। এই লক্ষ্য পূরণে সরকার সরকারি ও বেসরকারি সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইকিউএসি প্রতিষ্ঠা করেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মেজবাহউদ্দীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বেশ ভালোভাবেই হচ্ছে। সামাজিক বিভিন্ন সূচকেও বাংলাদেশ উন্নতি করছে। এখন গুণগত শিক্ষার দিকে নজর দেওয়া জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবশ্যই গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতাও জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। এ জন্য ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থী বিনিময়, শিক্ষক বিনিময়, সামার প্রোগ্রাম, যৌথ গবেষণা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী তৈরি করতে চায়। এই লক্ষ্যে বিএলসি, স্মার্ট, এডু, গো এডু ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। শিক্ষার্থীদেরকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ল্যাপটপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব কারণে ড্যাফেডিল বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সকল র্যাংকিয়ে প্রথম দিকে জায়গা করে নিয়েছে বলে তিনি জানান।