গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় যানজট এড়াতে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের উদ্যোগে আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই বিকল্প সড়ক চালুর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে। মহানগরীর সুকুন্দিবাগ ব্রিজ থেকে টঙ্গী বনমালা রেলগেট পর্যন্ত আলোচিত বিকল্প এ সড়কটির কাজ অতিদ্রুত শেষ করতে দিনরাত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ। প্রায় প্রতিদিনই সরেজমিনে উপস্থিত থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ বিকল্প এ সড়কটির নির্মাণ কাজ তদারকি করছেন সিটি মেয়র। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিকল্প হিসেবে গাজীপুর শহর থেকে ধীরাশ্রম-বনমালা-টঙ্গী হয়ে রাজধানী ঢাকা যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সাময়িকভাবে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলার জন্য ইট বিছানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী-বিমানবন্দর অংশের বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজের দীর্ঘসূত্রতার কারণে মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এ দুর্ভোগ থেকে নগরবাসীসহ সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘব করতেই গাজীপুর শহর থেকে টঙ্গী বনমালা রেলগেট পর্যন্ত বিকল্প রাস্তা বের করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন মেয়র। নগরবাসীর বহু প্রত্যাশিত বিকল্প সড়কটির নির্মাণকাজ পূর্বেই সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু এরই মধ্যে ঢাকা-জয়দেবপুর রেলওয়ের ডাবল লাইন সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সে কারণে বিকল্প সড়কটির টঙ্গীর বনমালা থেকে সুকুন্দিবাগ ব্রিজ পর্যন্ত এক কিলোমিটার অংশ বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফলে বিকল্প ঐ সড়কটি ব্যবহার করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল নগরবাসী। ইতিমধ্যে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিকল্প সড়কের ঐ অংশে ডাবল লাইনের পাশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে। এতে বিকল্প সড়কটির ঐ অংশ একেবারেই সংকুচিত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম প্রায় দুই মাস পূর্বে রাস্তার পাশের জমির মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে রাস্তাটি প্রশস্তকরণের উদ্যোগ নেন।