নোবেল বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৮ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ১১তম সামাজিক ব্যবসা দিবস অনুষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর ১১০টি দেশের ২ হাজার ৩০ জন এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের সামাজিক ব্যবসা দিবস মূলত ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে অনুষ্ঠিত হলেও উগান্ডার কাম্পালা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং জিম্বাবুয়ে ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয়ভাবে এর গ্রাউন্ড সেশনসমূহ অনুষ্ঠিত হয়। যেহেতু বৈশ্বিক বিষয়বস্তুর পাশাপাশি পূর্ব আফ্রিকার ওপরও এ বছরের দিবসটি স্থানীয়ভাবে আলোকপাত করে। শূন্য নীট কার্বন নিঃসারণ, দারিদ্র্য দূরীকরণে শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ এবং সবার জন্য উদ্যোক্তা প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে শূন্য বেকারত্বের একটি ‘তিন শূন্য’ পৃথিবী গড়ে তোলার মাধ্যমে মহামারি-পূর্ব পৃথিবীতে ‘আর ফিরে যেতে চাই না’ এই ছিল এ বছরের সামাজিক ব্যবসা দিবসের মূল বিষয়বস্তু। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নোবেল বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তার সঙ্গে ছিলেন অপর নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী টিমোর লেস্টের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস হোরতা, ইউএনএইডসের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানিমা এবং ড্যানোন-এর সাবেক প্রধান নির্বাহী ইম্যানুয়েল ফেবার। লুক্সেমবার্গের গ্র্যান্ড ডাচেস মারিয়া টেরেসা বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেক্টারগণও অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত বিনিময় করেন।
পাঁচ দিনের এই আয়োজনের মধ্যে ছিল ১৬টি প্লেনারি সেশন ও আটটি অ্যাকাডেমিয়া ফোরাম। বিভিন্ন অঙ্গন ও শিল্প থেকে আসা ১৬২ জন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে কীভাবে মহামারিকালে ও মহামারি-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বৈশ্বিক ও স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধান করা যায়—সে বিষয়ে তাদের সুচিন্তিত বক্তব্য রাখেন।—প্রেস বিজ্ঞপ্তি