মিরাজের পাঁচ উইকেট হারারে টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ

ম্যাচের শুরুতে আগুনে বোলিংয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলার পর ব্যাটিংয়ে নেমেও দারুণ প্রতিরোধ গড়েছে জিম্বাবুয়ে। উইকেট আঁকড়ে থাকার প্রচেষ্টায় পুরোপুরি সফলতা পায়নি স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের স্পিনাররা তাদের চেষ্টাকে সফল হতে দেননি। মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে গতকাল প্রথম ইনিংসে ২৭৬ রানে অলআউট হয়েছে জিম্বাবুয়ে।

প্রথম ইনিংসে ১৯২ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। গতকাল শেষ বিকালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৭ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৫ রান তুলেছে টাইগাররা। সাইফ হাসান ২০, সাদমান ইসলাম ২২ রানে ব্যাট করছেন। গতকাল ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ২৩৭ রান। স্পষ্টতই ম্যাচটা এখন বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আগের দিনের ১ উইকেটে ১১৪ রান নিয়ে খেলতে নেমে গতকাল শেষ ৯ উইকেটে ১৬২ রান যোগ করেছে স্বাগতিকরা। মিরাজ-সাকিবই জিম্বাবুয়েকে নাকাল করেছেন। মিরাজ ৮২ রানে ৫ উইকেট নেন। বিদেশে এটি তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ক্যারিয়ারে অষ্টম বার ৫ উইকেট পেলেন এ অফস্পিনার। সাকিব ৮২ রানে পান ৪ উইকেট। বাংলাদেশের পক্ষে আরেকটি উইকেট নেন তাসকিন।

দিনের শুরুটা কাইতানো ও অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলরের ব্যাটে দূরন্ত গতিতে ছুঁটছিল জিম্বাবুয়ে। তাদের জুটি ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। শেষ ১৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।

লাঞ্চের আগে ১১৫ রানের জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মিরাজ। টেইলর আউট হন ৯২ বলে ৮১ রান করে। লাঞ্চের পরে ডিয়ন মায়ার্স (২৭), মারুমাকে (০) ফেরান সাকিব। তাসকিনের শিকার হন কাইয়া (০)। চা-বিরতির পর অভিষিক্ত কাইতানোর প্রতিরোধ ভেঙে দেন মিরাজ। ৩১১ বলে ৮৭ রান করে আউট হন এ ওপেনার। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ওপেনিংয়ে এটিই সর্বোচ্চ ইনিংস।

এরপর মিরাজের ঘূর্ণিতে দ্রুতই ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের লোয়ার অর্ডার। মুজারাবানিকে বোল্ড করে ইনিংসটাই শেষ করে দেন সাকিব। চাকাভা ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন।