সর্বোচ্চ লিড
হারারে টেস্টে গতকাল জিম্বাবুয়েকে ৪৭৭ রানের টার্গেট দিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১৯২ রানের লিড নেওয়ার পর গতকাল ১ উইকেটে ২৮৪ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলে বাংলাদেশের লিড ছিল ৪৭৬ রান।
ম্যাচের তৃতীয় এবং নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শেষে বাংলাদেশের পাওয়া বড় লিড এটি এবং প্রতিপক্ষকে দেওয়া সবচেয়ে বড় টার্গেট। এর আগে সর্বোচ্চ ৪৪৮ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ ২০১৪ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই চট্টগ্রামে। দলটির বিরুদ্ধেই ৪০০ ছাড়ানো আরো দুটি লিড পাওয়ার ঘটনা রয়েছে বাংলাদেশের।
সাদমান-শান্তর জুটি তৃতীয়
স্থানে
বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে গতকাল সেঞ্চুরি করেছেন সাদমান ইসলাম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দলীয় ৮৮ রানে সাইফ হাসানের বিদায়ের পর তারা দলের হাল ধরেন। মুমিনুল হকের ইনিংস ঘোষণার আগ পর্যন্ত দ্বিতীয় উইকেটে ১৯৬ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন ছিলেন তারা।
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। সর্বোচ্চ ২৩২ রানের জুটি গড়েছিলেন ইমরুল কায়েস-শামসুর রহমান, ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রামে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে তামিম-জুনায়েদের ২০০ রান, ২০১০ সালে ভারতের বিরুদ্ধে ঢাকায়।
বাংলাদেশ তৃতীয়
জিম্বাবুয়েকে ৪৭৭ রানের টার্গেট দিয়ে রেকর্ডের পাতায় নাম উঠেছে বাংলাদেশের। ৪৭৬ রান লিড পায় মুমিনুল বাহিনী। টেস্ট ইতিহাসে এক বা কোনো উইকেট না হারিয়ে পাওয়া তৃতীয় সর্বোচ্চ লিড এটি। সর্বোচ্চ ৬৪৭ রানের লিড আছে অস্ট্রেলিয়ার, ২০০৬ সালে ব্রিসবেনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৬৪ রানের লিড ইংল্যান্ডের, ২০১৬ সালে ম্যানচেস্টারে পাকিস্তানের বিপক্ষে। দুই ম্যাচেই জিতেছিল অস্টেলিয়া ও ইংল্যান্ড। বাংলাদেশও জয়ের পথে এগোচ্ছে।