বিশেষ প্রতিনিধি
মেয়েটির বাড়ি জামালপুরের সরিষাবাড়ী। দীর্ঘ আট বছরের প্রেমের সম্পর্ক টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী এলাকার এক যুবকের সঙ্গে। পরে পারিবারিকভাবেই মেয়েটির সঙ্গে যুবকটির বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের খরচ জোগাতে জমিও বিক্রি করে দেন মেয়েটির বাবা। এক পর্যায়ে বিয়ের আশ্বাসে এবং যুবকের প্ররোচনায় শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর পর মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এরপর হঠাত্ যুবকটি জানিয়ে দেয়, মেয়েটিকে সে বিয়ে করবে না।
বিয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গায় দেনদরবার করে মেয়েটির পরিবার। এতে দুই পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক আরো খারাপ হয়। ছেলের পরিবারও এক পর্যায়ে ছেলেটির পক্ষে অবস্থান নেয়। ছেলেটির পরিবার অত্যন্ত প্রভাবশালী। তার বড় ভাই এলাকার প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ যুবকটিকে বাধ্য করে মেয়েটিকে বিয়ে করার জন্য।