চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজ করার মাধ্যমে বদলে গেছে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর হাটের চিত্র। জেলার বড় এ হাটের প্রবেশ মুখে দুইটি স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হচ্ছে। লকডাউনের বিধি ভঙ্গের অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া এনায়েতপুর গরু ও তাঁত কাপড়ের এই হাটের চিত্র এখন অনেকটাই পালটে গেছে। যদিও এখনো এই হাটে গরু উঠানোর অনুমতি মেলেনি। হাটের প্রবেশ মুখের দুইটি স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট ও ইজারাদারের যৌথ উদ্যোগে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে গতকাল হাট বসে।
জানা যায়, চলতি বছরে সিরাজগঞ্জের বৃহত্ তাঁত কাপড় ও গরুর এনায়েতপুর হাট ইজারা নেন ফজলুল হক ব্যাপারী। প্রতি সপ্তাহে রবি, সোম, বুধ, বৃহস্পতিবার কাপড়ের হাট এবং শুক্রবার সবচেয়ে বড় গরু, মাছ, শাকসবজিসহ যাবতীয় জিনিসপত্রের হাট বসে। দিনব্যাপী এ হাটের দিনে এখানে বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুরসহ টাঙ্গাইল, পাবনা জেলার হাজার-হাজার ক্রেতা-বিক্রেতাদের ঢল থাকে। গত ২ জুলাই শুক্রবার লকডাউন চলাকালে বসেছিল এ হাট। গরু-ছাগলও উঠেছিল। তবে অন্যান্য দিনের হাটের চেয়ে কম। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে হাটটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকান বসতে দেওয়া হলেও বন্ধ করে দেওয়া হয় পশু ও কাপড়ের হাট।