কবি, প্রাবন্ধিক, প্রবীণ সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত (৮৫) গতকাল শনিবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে পটিয়ার ধলঘাটে গ্রামের বাড়িতে পরলোকগমন করেছেন। তিনি দৈনিক আজাদীর সহযোগী সম্পাদক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। কবি অরুণ দাশগুপ্ত দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। চিরকুমার অরুণ দাশগুপ্ত জীবনসায়াহ্নে এসে অসুস্থ অবস্থায় পটিয়ার ধলঘাটে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। বিকালে ধলঘাটে পারিবারিক শ্মশানে প্রয়াতের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক ও কবি অরুণ দাশগুপ্তের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। অরুণ দাশগুপ্তের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
দৈনিক আজাদীর প্রয়াত সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদের হাত ধরে ১৯৭৩ সালে তিনি যোগ দেন দৈনিক আজাদীতে। কবি-সাহিত্যিক-সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্ত সর্বমহলে ‘দাদামনি’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৩৬ সালের ১ জানুয়ারি ধলঘাট গ্রামে জমিদার যশোদা নন্দন ওয়াদ্দেদারের (দাশগুপ্ত) পুত্র অবিনাশ ওয়াদ্দেদারের ঔরসে জন্ম অরুণ দাশগুপ্তের। কবিতা, চিত্রকলা, ছোটগল্প, সংগীতের ক্ষেত্রে তার ছিল অবাধ বিচরণ। পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। অরুণ দাশগুপ্ত রচিত ও প্রকাশিত গ্রন্থাবলি ‘রবীন্দ্রনাথের ছয় ঋতুর গান ও অন্যান্য’, ‘নবীনচন্দ্র সেন’, ‘কবিতা চিন্তা ও অন্যান্য প্রবন্ধ’, কবিতার বই ‘খাণ্ডবদাহন’।
সাংবাদিক অরুণ দাশগুপ্তের মৃত্যুতে আরো শোক জানিয়েছেন—আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সংবাদপত্র কম্পিউটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক কায়েস চৌধুরীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।