মিরসরাই (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
মিরসরাই ট্র্যাজেডির ১০ম বর্ষপূর্তি আজ। ২০১১ সালের ১১ জুলাই মিরসরাই স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল খেলা শেষে ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি পিকআপ বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কের সৈদালী এলাকায় পাশের একটি ডোবায় উলটে যায়। যেখানে ৪২ জন স্কুলছাত্রসহ ৪৫ জন নিহত হয়।
মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে উপজেলার আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৪ জন, আবুতোরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার জন, আবুতোরাব ফাজিল মাদ্রাসার দুই জন, প্রফেসর কামালউদ্দিন চৌধুরী কলেজের দুই শিক্ষার্থী ছিল। একই সঙ্গে এক অভিভাবক, দুই জন ফুটবলপ্রেমী যুবকসহ ৪৫ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে রচিত হয় মিরসরাই ট্র্যাজেডি। মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে ঐ সময় শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তত্কালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ দেশ -বিদেশের নানা শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনরা। মিরসরাই ট্র্যাজিডিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী নিহত হওয়া আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকে নির্মাণ করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ ‘আবেগ’ আর দুর্ঘটনাস্থলে নির্মাণ করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ ‘অন্তিম’।
আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মর্জিনা আক্তার জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। তাই বিগত বছরের ন্যায় এবার বড় কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। মিরসরাই ট্র্যাজিডিতে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে সকাল ১০টায় স্মৃতিস্তম্ভ ‘আবেগ’ আর ‘অন্তিম’ এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এছাড়া নিহতদের স্মরণে ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে।