মায়া রাণীর স্বপ্ন : নারীরা যেন কৃষিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন

শাহিনুর রহমান

নবাবগঞ্জ উপজেলার একজন নারী উদ্যোক্তা ও সফল কিষানি মায়া রাণী বাউল। তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি ডেইরি ফার্ম করে এই উপজেলার সফল কিষানি হয়ে উঠেছেন। মায়া রাণীর ভাষায়, ‘২০১৫ সাল থেকে কৃষিকাজ শুরু করি; পাশাপাশি একটি গরু নিয়ে খামার শুরু করি। খামারে বর্তমানে আমার ছোট-বড় মিলিয়ে ৫০টি গরু রয়েছে। খামারের গোবর থেকে জৈব সার তৈরি করে জমিতে ব্যবহার করছি এবং জ্বালানি বায়োগ্যাস তৈরি করে প্রতিদিনের রান্না-বান্নার কাজে ব্যবহার করছি। এতে করে বছরে আমার প্রায় ৩০ হাজার টাকা জ্বালানিতে সাশ্রয় হচ্ছে। আমার দুগ্ধবতী গাভি থেকে প্রতিদিন পাওয়া ৫০ লিটার দুধ বিক্রি করে সাড়ে তিন হাজার টাকা আয় হচ্ছে।’

মায়া রাণীর স্বামী জগদিস চন্দ্র বাউল পেশায় একজন পল্লি চিকিত্সক। তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন আমার খামারে ১০০ দুগ্ধবতী গাভি থাকবে আর এই স্বপ্নপূরণের জন্য সরকারের সাহায্যের প্রয়োজন। আমার এই কৃষিকাজের সাফল্য দেখে যেন নবাবগঞ্জসহ সারা দেশের নারীরা কৃষি কাজে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। এতে করে কৃষকের পাশাপাশি কৃষি উন্নয়নে দেশও এগিয়ে যাবে।