ডিএসসিসির নতুন ১৮ ওয়ার্ডে ৬৮ হাজার হোল্ডিং চিহ্নিত

এরই মধ্যে বাণিজ্যিক হোল্ডিং থেকে ট্যাক্স আদায় শুরু

আবাসিকগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ কাজ চলমান 

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে ৬৮ হাজার ৮৯টি হোল্ডিং চিহ্নিত করা হয়েছে। ৬ থেকে ১০ মোট পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ হওয়া এই ওয়ার্ডগুলোর বাণিজ্যিক হোল্ডিংগুলো থেকে এরই মধ্যে ট্যাক্স আদায় শুরু করেছে সংস্থাটি। তবে এখনো আবাসিক হোল্ডিংগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ কাজ চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে অনেকেই কর্তৃপক্ষের কাছে হোল্ডিং নিয়ে আপিল করেছেন। আপিলগুলো নিষ্পত্তিও হয়েছে। ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, নতুন ওয়ার্ডগুলোতে যে হোল্ডিং পাওয়া গেছে তা হলো সংস্থাটির নতুন অঞ্চল-৬ এর ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে ১ হাজার ৯৪৭টি; ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৬৫৩টি ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ১৬০টিসহ মোট ১০ হাজার ৭৬০টি হোল্ডিং পাওয়া গেছে। অঞ্চল-৭ এর ৭১ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ২৫৪টি; ৭২ নম্বর ওয়ার্ডে ১ হাজার ৪৩৪টি ও ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ হাজার ৩৮০টিসহ মোট ৭ হাজার ৬৮টি হোল্ডিং রয়েছে। অঞ্চল-৮ এর ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ হাজার ২৪১টি; ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৪৪৭টি; ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ২৮১টি এবং ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ১২১টি হোল্ডিংসহ মোট ১৩ হাজার ৯০টি হোল্ডিং রয়েছে।

অঞ্চল ৯ এর ৬২ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ হাজার ৪০১টি; ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৬৬৮টি; ৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৩ হাজার ১৭৬টি এবং ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে ৭ হাজার ৫২৭টি হোল্ডিংসহ মোট ২০ হাজার ৭৭২টি হোল্ডিং রয়েছে। আর সর্বশেষ ১০ নম্বর অঞ্চলের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে ২ হাজার ৯৩৯টি; ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৪০১টি; ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ হাজার ১৪টি এবং ৬১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪ হাজার ৪৫টিসহ মোট ১৬ হাজার ৩৯৯টি হোল্ডিং পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে নতুন এই পাঁচটি অঞ্চল বা নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ৬৮ হাজার ৮৯টি হোল্ডিং রয়েছে।

এসব অঞ্চলে নতুন করে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের জন্য এখনো কোনো অফিস চালু করা হয়নি। নতুন যুক্ত হওয়া অঞ্চলগুলোর মধ্যে ৬ নম্বর অঞ্চল, অঞ্চল ২ থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ৭ নম্বর অঞ্চল, অঞ্চল-১ থেকে ৮ ও ৯ নম্বর অঞ্চল, অঞ্চল ৫ থেকে; ১০ নম্বর অঞ্চল, অঞ্চল ৪ থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানা যায়।

ডিএসসিসি সূত্রে জানা যায়, সংস্থাটির করপোরেশন বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বাণিজ্যিক হোল্ডিংগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ করে আদায় শুরু করা হয়। আর পরের বছরের একই সময় থেকে আবাসিক হোল্ডিংয়ের কর ধার্য করে আদায় শুরু করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনাসহ নানা কারণে কাজটি এখনো শেষ করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবে তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে ডিএসসিসির রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান, আমাদের নতুন ওয়ার্ডগুলোর হোল্ডিং নম্বর স্থাপন শেষ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বাণিজ্যিক হোল্ডিংগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ করে আদায় করা হচ্ছে। আর আবাসিকগুলোর ট্যাক্স নির্ধারণ কাজ চলমান রয়েছে।