হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভনেল ময়েসের হত্যাকাণ্ডের পর প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী মার্টিন ময়েস। তিনি বলেছেন, তার স্বামীকে চোখের পলকে হত্যা করা হয়। একটা কথা বলারও সুযোগ পাননি তিনি। খবর বিবিসির
গত ৭ জুলাই রাতে প্রেসিডেন্ট ময়েস নিজ বাসায় খুন হন। ২৮ বিদেশি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে সরকার জানিয়েছে। মার্টিন ময়েসও এই সময় আহত হন। তিনি ফ্লোরিডার মিয়ামিতে চিকিত্সাধীন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার মার্টিন ময়েস টুইটারে একটি ভয়েস ম্যাসেজ পোস্ট করেন। অনেকেই তাকে ময়েসের স্ত্রী বলে চিহ্নিত করেছেন। মার্টিন স্বামীর রেখে যাওয়া কাজ শেষ করার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, চোখের পলকে হত্যাকারীরা আমাদের বাসায় প্রবেশ করে এবং মুহূর্তের মধ্যে ময়েসকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। তাকে একটি কথা বলারও সুযোগ দেয়নি। তিনি বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের কোনো নাম দেওয়া যায় না। তারা জোভনেল ময়েসের মতো মানুষকে হত্যা করে সীমাহীন অপরাধ করেছে’। রাজনৈতিক কারণে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন মার্টিন। তিনি জানান, ময়েস সংবিধান সংশোধনে একটি গণভোট করার পরিকল্পনা করেছিলেন, যার মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট আরো ক্ষমতা পেতেন। তাই কিছু মানুষ তার স্বপ্নকে হত্যা করতে চেয়েছে। মার্টিন ময়েস বলেন, ‘এটা সত্যি যে আমি কাঁদছি। কিন্তু তাই বলে দেশের ক্ষতি হতে দিতে পারি না। প্রেসিডেন্ট ময়েস, আমার স্বামী এবং আমাদের প্রেসিডেন্টের রক্তকে বৃথা যেতে দিতে পারি না’।