সেই পাঁচ হাজার বছর আগের কথা, সেসময় পায়রা বা কবুতরের গতিবিধি কিছু অনুসন্ধানী মানুষের মনে নাড়া দিয়েছিল। তারা লক্ষ করলো, কবুতর সকালে যেকোনো স্থানে চলে যাক না কেন সারাদিন ঘুরেফিরে বিকালে বা সন্ধ্যায় ঠিকই নিজ বাসস্থানে ফিরে আসে। এই ব্যাপারটি মানুষের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি করে এবং কিভাবে দৈনন্দিন কাজে লাগানো যায় সেই চিন্তাও আসে। আর এভাবেই মানবজাতি প্রবেশ করে ‘পিজন পোস্ট’ (Pigeon post) এর যুগে । কবুতরের নিজের বাসস্থানে ফেরার এই ক্ষমতার কারণ হল শক্তিশালী চৌম্বকীয় ধারণার দক্ষতা। তারা দিক নির্ণয়ের জন্য পৃথিবীর চৌম্বকীয়ক্ষেত্র ব্যবহার করে। সূর্যের অবস্থান, শব্দ ও গন্ধও তাদেরকে সঠিক দিক নির্ণয়ে সহায়তা করে। তবে সব ধরনের কবুতরের এই গুনটি ছিল না। এই বিশেষ ক্ষমতাসমপন্ন কবুতরের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো "রক" প্রজাতির কবুতর। এই প্রজাতির একটি কবুতর তার বাসস্থান থেকে ১৮০০ কি.মি. দূরে গিয়েও বিশেষ ক্ষমতাবলে অনায়াসেই নিজ বাসস্থানে ফিরে আসতে পারে। এই প্রজাতির কবুতরকে চিঠি আদান প্রদানে ব্যবহার করা হতো।
শাহ মুহাম্মদ আব্দুলাহ