শ্রীপুরের হিসাবরক্ষণ অফিসের দুই কর্মকর্তাকে গত রবিবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের যোগসাজশে সরকারের আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বজলুর রহমান ও অডিটর আরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
শ্রীপুর থানা পুলিশ টাকা আত্মসাতের চেষ্টার ঘটনায় কথিত সুবিধাভোগী রঞ্জিত কুমার, সুবল চন্দ্র মোহন্ত, কমল চন্দ্র রায়, ফুলমনি রানী, প্রবাশ চন্দ্র রায় ও শাহানা আক্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছে। মূল হোতা তানভীর পলাতক রয়েছেন।
জানা যায়, গত ১৭ জুন মাস্টার রোলে কর্মরত তানভীর পাঁচ ব্যক্তির নামে আলাদাভাবে পাঁচটি ভুয়া অবসর ভাতার বিল ভাউচার ও অ্যাডভাইস দিয়ে ২ কোটি ৪৬ লাখ ৯ হাজার ৯৬০ টাকা উত্তোলন করে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক শ্রীপুর থানা হেড কোয়াটার শাখায় যায়। পরে টাকা কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী শাখায় স্থানান্তরিত করে। নাগেশ্বরী শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করতে গেলে শাখা ম্যানেজারের সন্দেহ হয়।
এ ঘটনায় শ্রীপুর শাখার ম্যানেজার রেজাউল হক বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে ৩০ জুন শ্রীপুর থানায় একটি মামলা করেন। পরে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে মো. সহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিলে বজলুর রহমান ও আরিফুল ইসলামকে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক সাময়িক বরখাস্ত করেন।