‘শেখ হাসিনা শুধু সেরা প্রধানমন্ত্রীই নন, সেরা কূটনৈতিকও’

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু সেরা প্রধানমন্ত্রীই নন, সেরা কুটনৈতিকও। তার সফল কুটনৈতিক দক্ষতার কারণেই গতবছর উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে করোনা ভাইরাসের টিকা বাংলাদেশে এনেছেন, তখন অনেক ধনী দেশ টিকা নিতে পারেনি। এখন দেশে গণ টিকাদান কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। 

“ডাক্তারের কাছে রোগী নয়, রোগীর কাছে ডাক্তার” এই শ্লোগানে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা-সখিপুর থানায় উপমন্ত্রীর নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিমের তৃতীয় পর্যায়ে মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের আফা মোল্যার বাজারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি তাঁর বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেন, বিএনপি দেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বের কাছে নষ্ট করতে মরিয়া। তারা সংকটে দেশের পাশে না দাঁড়িয়ে সরকার ও আওয়ামী লীগের সমালোচনায় ব্যস্ত। বিএনপি নেতাদের দেশ বিরোধীদের কূটনৈতিক ষড়যন্ত্র সহ নানান ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই।

এনামুল হক শামীম আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা সংকট মোকাবিলায় দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। অসহায়দের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী ও বস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছেন। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ও আওয়ামী লীগ করোনা সংকট মোকাবিলায় যা যা করণীয় সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়াও উপমন্ত্রী শরীয়তপুরের সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে এবং সচেতন থাকার আহবান জানান।

উল্লেখ্য, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমের উদ্যোগে গঠিত এই ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গত বছর করোনা মহামারীর প্রথম থেকে নড়িয়া-সখিপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বাজারে বাজারে ঘুরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আছে। ওই টিমের পক্ষ থেকে ঔষধ ও নগদ অর্থও প্রদান করা হচ্ছে। এই দুইজন পুরুষ চিকিৎসক ও এক মহিলা চিকিৎসক এবং দুই জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছে। এছাড়াও মেডিক্যাল টিমের হটলাইন নম্বরে ফোন করলেই রোগীর কাছে ছুটে যাচ্ছে তারা। একারণে স্থানীয়রা উপমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও এই টিম ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে তাদের মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য।

ইত্তেফাক/এমএএম