জাহিদ হাসান
বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন ফোরামের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট আলী আকবর আশা। দেশের যুব সমাজের ভালো কাজগুলো বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে কাজ করছেন তিনি। সংগঠনের শুরুর গল্পটা জানতে চাইলে আশা বলেন, ‘বিডিএসআইএফ নিয়ে যখন পরিকল্পনা করি, ওই সময় একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে আমি ব্র্যান্ডিংয়ে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলাম। তখন শুধু এতটুকু উপলব্ধি করেছিলাম, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদেরকে নিজেদের জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে। অবশ্য প্রায় সকলেই কোনো না কোনোভাবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছেন। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যগুলো সামনে আসছে না। সব মিলিয়ে কীভাবে শুরু করব, এটা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তিতে ছিলাম। ঠিক সেই সময় প্রযুক্তির সহায়তায় আমি ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশনের সাইট খুঁজে পাই। সেখানে দেখলাম উন্নত বিশ্বে নিজেদের আইডিয়াকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইনোভেশন হাব করা হয়েছে। তখন ২০১৮ সালের মাঝামাঝি। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও নিজেদের আইডিয়া বাস্তবায়নে আয়োজন করি বাংলাদেশ ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন সামিট ও অ্যাওয়ার্ড-২০১৯। সচেতনতামূলক সেমিনারের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত বিশেষ কিছু সংস্থা, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করি। দেশের নামকরা ও জনপ্রিয় বক্তারা একই মঞ্চে এই আয়োজনে বক্তব্য দেন। আমরা এই আয়োজনের মাধ্যমে ইউএন গ্লোবাল ফেস্টে প্রাইভেট অর্গানাইজেশন হিসাবে এককভাবে নমিনেশন পেয়েছিলাম।’
ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা বিডিএসআইফ’র আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ডিজিটাল সোশ্যাল ইনোভেশন ফোরামের মাধ্যমে প্রতিটি দেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে কমিউনিটি স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। যেন যুবসমাজকে সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে প্রভাবিত করতে পারি।’