করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪০৯ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৪০৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক নিয়োগ দেবে সরকার। শুধু মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে এসব চিকিত্সককে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেসিওলজি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এ জন্য বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা-১৯৮১ সংশোধন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এসংক্রান্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে।

গত সোমবার এ বিষয়ে চাহিদাপত্র বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে এ পদে অনেক জনবল শূন্য। এ কারণে চিকিত্সাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারি হাসপাতালগুলোকে। এর মধ্যে করোনাকালে সারা দেশে সিসিইউ ও আইসিইউতে রোগীর চাপ আগের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে অ্যানেস্থেসিওলজির শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমালা সংশোধন করে গত ২৮ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এ পদে নিয়োগ পেতে এ বিষয়ে পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা লাগবে। এ ছাড়া এ বিষয়ে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বা ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

এদিকে করোনা সংক্রমণের কারণে দুটি বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে চিকিত্সক নিয়োগের উদ্যোগ নেয় সরকার। এর মধ্যে ৩৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে পাঁচ হাজারের মতো চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর ৪২তম বিশেষ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভাইভা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই এ ভাইভা শুরু হবে।