ইত্তেফাক রিপোর্ট
তামাকমুক্ত দেশ গড়তে সব ধরনের তামাকপণ্যের সহজলভ্যতা কমানো দরকার। আর এজন্য কার্যকরভাবে করারোপের মাধ্যমে তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয়ের আয়োজনে ‘বাজেট ২০২১-২২ এ তামাকপণ্যে কর :মাননীয় সংসদ সদস্যদের ভাবনা’ শীর্ষক অনলাইন বৈঠকে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন একাধিক সংসদ সদস্য। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই অনলাইন আলোচনার সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি ড. আতিউর রহমান। এতে সংসদ সদস্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ফজলে হোসেন বাদশা (রাজশাহী ০২), মো. সাইফুজ্জামান (মাগুরা ০১), শিরীন আখতার, (ফেনী ০১), নাজমা আকতার (মহিলা আসন ৪৬), মো. সাহিদুজ্জামান, (মেহেরপুর ০২), শামসুন নাহার (মহিলা আসন ১৩), এম এ মতিন (কুড়িগ্রাম ০৩), আব্দুল মান্নান (লক্ষ্মীপুর ০৪), অপরাজিতা হক (মহিলা আসন ২০), মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার (বগুড়া ০৩) এবং গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার (মহিলা আসন ৩০)।
মূল নিবন্ধ উপস্থাপনে ড. আতিউর রহমান বলেন, তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপই যে তামাক ব্যবহার কমিয়ে আনার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি তা প্রমাণিত। ফিলিপাইন, গাম্বিয়া, শ্রীলঙ্কা, কলম্বিয়া ও ওমানে যথাযথ করারোপের মাধ্যমে একদিকে তামাক ব্যবহার কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, পাশাপাশি তামাক বিক্রি থেকে আদায়কৃত করও বেড়েছে। বাংলাদেশেও গবেষণানির্ভর অ্যাডভোকেসি কার্যক্রমে সব অংশীজনকে সঠিকভাবে যুক্ত করতে পারলে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। মাগুরা ০১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান বলেন, তামাকে কর বিষয়ে সোচ্চার সংসদ সদস্যদের ককাস গঠন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওপর যথাযথ করারোপের জন্য চাপ সৃষ্টি করা যেতে পারে। কৃষি ও কৃষককে সহায়তা করার জন্য সরকারের যেসব ইতিবাচক উদ্যোগ আছে তামাক চাষে যেন সেগুলো না দেওয়া হয় তার পক্ষে মত দেন ফেনী ১ আসনের সংসদ সদস্য শিরীন আখতার। এছাড়াও সংসদ সদস্যরা তামাক চাষে যুক্ত কৃষকদের বিকল্প আয়ের উেসর ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেন।