চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর ঘাটতি অর্ধলাখ

চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। প্রান্তিক কৃষকদের পালিত কোরবানির গরু মৌসুমি ব্যাপারীদের হাতে চলে যাচ্ছে। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রান্তিক কৃষকদের গরু ব্যাপারীরা কিনে নিচ্ছেন। এভাবে কোরবানির পশু একাধিক হাতবদলের কারণে বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় এবার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫০ হাজার পশুর ঘাটতি রয়েছে। এ বছর জেলায় কোরাবানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৫ হাজার পশু। স্থানীয়ভাবে ৭ লাখ ৫৪ হাজার কোরবানির পশু উত্পাদিত হয়েছে। ফলে বাইরে থেকে অবশিষ্ট পশু এলে বাজারে কোরবানির পশুর সংকট হবে না। এবার জেলায় মোট কোরবানির পশুর হাট বসবে ২২২টি।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোরবানির বাজার টার্গেট করে মৌসুমি ব্যাপারীরা গ্রাম চষে বেড়াচ্ছেন। তারা প্রান্তিক কৃষক যারা নিজে কয়েকটি করে গরু পালন করেছেন, তাদের গরু কিনে নিচ্ছেন। এসব প্রান্তিক কৃষক করোনার কারণে কোরবানির বাজার নিয়ে সংশয়ের মধ্যে রয়েছেন। আবার দুই-তিনটি গরু নিয়ে পরিবহনভাড়া দিয়ে শহরে আনতে তাদের প্রচুর খরচ হবে। ফলে এসব বিক্রেতা বাড়িতে গরু বিক্রি করে নিশ্চিন্তে থাকছেন। জেলার লোহাগাড়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, বোয়াখালী, রাঙ্গুনিয়া ও আনোয়ারা উপজেলার প্রান্তিক এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যাপারীরা গরু সংগ্রহ করছেন।

স্থানীয়রা জানান, বিশেষ করে ছোট আকৃতির গরুগুলো ব্যাপারীরা বেশি কিনে নিচ্ছেন। কারণ ৮০ হাজার টাকার নিচের গরুগুলোর বাজারে চাহিদা বেশি থাকে। প্রতি বছর দেখা যায়, একপর্যায়ে বাজারে এসব গরুর সংকট দেখা দেয়।