শেকৃবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১১ ডিসেম্বর ১৯৩৮ ‘দ্য বেঙ্গল কৃষি ইনস্টিটিউট’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের কৃষি শিক্ষার প্রাচীনতম এই বিদ্যাপীঠ। এরপর বিভিন্ন নামে পরিবর্তিত হয়ে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই উন্নীত হয় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ কৃষিবিদ, কৃষিবিজ্ঞানী তৈরি এবং কৃষি গবেষণার যথাযথ প্রচার ও প্রসারে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যান্য বছর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসুচির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করলেও মহামারির কারণে এবার সংক্ষিপ্ত হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন। সকাল ৯টায় জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি অনুষদ ও একটি ইনস্টিটিউটের অধীনে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি কোর্সে ৪ হাজার ৮০৪ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। ৩৫টি বিভাগে মোট ৩২২ জন শিক্ষক পাঠদান ও সংশ্লিষ্ট গবেষণায় নিয়োজিত আছেন। শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচটি আবাসিক হল রয়েছে এবং আরো দুটি হলের কাজ চলমান।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘প্রতিটি অনুষদে এমনিতেই কম-বেশি সেশনজট রয়েছে। তাছাড়া ক্লাসরুমের সংকট, আবাসনের সমস্যা, ভেটেরিনারি ক্লিনিক নেই, গবেষণা কার্যক্রমে পুরোনো যন্ত্রপাতি ব্যবহারসহ নানা সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া  বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শেকৃবি পরিবারের সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা সিন্ডিকেট মিটিং করে বাজেট অনুমোদন করব। প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে একটি সেমিনার করব, যেখানে সব গবেষক তাদের গবেষণা ও ফলাফল তুলে ধরবেন। এছাড়া ভেটেরিনারি টিচিং হসপিটালের কাজ শিগিগর শুরু হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমার মেয়াদে দ্বিতীয় সমাবর্তন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’