একজন প্রধান শিক্ষক ও একজন সহকারি শিক্ষক দিয়ে চলছে গাইবান্ধার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২৩৮ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে প্রয়োজনের চেয়ে কম মাত্র দুইজন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যালয় সূত্র জানায়, শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২৩৮ জন। তাদের পাঠদানের জন্য শিক্ষক ছিলেন সাতজন। এর মধ্যে তিনজন শিক্ষককে ডিপিএড প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি দুইজন শিক্ষককে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। এখন প্রধান শিক্ষকসহ রয়েছেন মাত্র দুজন শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা জানায়, আমাদের বিদ্যালয়ে মাত্র দুইজন স্যার। তারা সব ক্লাসে যেতে পারেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির একজন সদস্য জানান, ‘বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষক চেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বার বার তাগাদা দিলেও কোনো কাজ হচ্ছে না।’
হরিপুর গ্রামের অভিভাবক মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘এক বিদ্যালয় থেকে একসাথে তিনজন শিক্ষককে ডিপিএড প্রশিক্ষণে পাঠানোর অভিযোগ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো ফল হয়নি।’
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক কামরুন নাহার বলেন, ‘ক্লাসে পাঠদানের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষককে অফিসিয়াল কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
আরো পড়ুন: ছিনতাইয়ের দায়ে ৪ পুলিশের ডিমোশন
এনিয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসেন আলী মুঠোফোনে বলেন, ‘অবিলম্বে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষক দেওয়া হবে।’
ইত্তেফাক/অনি