রাজিবপুর উপজেলায় কামারদের দুর্দিন যাচ্ছে। আর মাত্র কয়েক দিন বাকি ঈদুল আজহার। এখন তাদের তেমন একটা কাজ নেই। ঈদের এক মাস আগেই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তপ্ত লোহা পিটিয়ে ছুরি, দাসহ নানা হাতিয়ার তৈরির কাজ করে সারতে পারতেন না তারা। বর্তমানে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে এই কড়াকড়ির মধ্যে কমসংখ্যক ক্রেতা পাচ্ছেন কামাররা। কামারপাড়ায় নেই ব্যস্ততা। রাজিবপুর বাজারের শাহজাহান কামার জানান, কাচারীপাড়া গ্রামের তারাই একমাত্র কামার পরিবার। প্রায় ৩৫ বছর ধরে তিনি এ কাজ করছেন। ঈদের এক মাস আগে থেকে কাজ করে সারতে পারতেন না। রাজিবপুর হাটের দিনে ক্রেতারা লাইন ধরে থাকত। এখন ক্রেতার জন্য বসে থাকেন কামাররা। এমনিতে এই করোনার মধ্যে বেচাকেনা নেই, তার ওপর প্রতি হাটে ২০ টাকা করে খাজনা দিতে হয়। রাজিবপুর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল বলেন, সরকারের সহযোগিতা না পেলে এ শিল্পের লোকজনদের আর এ পেশায় পাওয়া যাবে না।