বাংলাদেশের টিকা পরিস্থিতিতে জয়শংকরের সন্তোষ প্রকাশ

ভারত থেকে কোভিড টিকা সরবরাহ করা না হলেও বাংলাদেশের বর্তমান উন্নত টিকা পরিস্থিতিতে খুশি দিল্লি। বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠককালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর এ কথা বলেন।

উভয় মন্ত্রী ‘সেন্ট্রাল অ্যান্ড সাউথ এশিয়া: রিজিওনাল কানেক্টিভিটি, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অপরচুনিটি’ বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে অংশগ্রহণের জন্য তাসখন্দে গিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হলে বিভিন্ন কাঠামোগত সহযোগিতা পুনরায় শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। দুই মন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি, কোভিড ও টিকা, রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ ও অন্যান্য সহযোগিতা নিয়ে আলাপ করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য দুই পক্ষ পুনরায় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, ভারতের সেরাম থেকে ৩ কোটি টিকা ক্রয়ের জন্য চুক্তি করলেও মাত্র ৭০ লাখ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। এদিকে গতকালের বৈঠকের পর জয়শংকর এক টুইটে বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দেখা করে আমি আনন্দিত।

টিকা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি চীনের

বাংলাদেশের সঙ্গে টিকা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তাসখন্দে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক একটি বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রতিশ্রুতির কথা বলেন। বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ছয় জাতি কোভিড কনসালটেশন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বেইজিংকে ধন্যবাদ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। এই কঠিন মুহূর্তে বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার জন্য কোভিড টিকা উপহার ও বিক্রির জন্যও ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। এ ছাড়া বাংলাদেশে যৌথ উত্পাদনের প্রসঙ্গ উঠলে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উত্সবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভিডিও বার্তা এবং চীনে কমিউনিস্ট পার্টির শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও বার্তা পাঠানোর জন্য একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করে ত্রিপক্ষীয় সংলাপ পুনরায় শুরু করার বিষয়ে জোর দেন।