মহামারি কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মির (পিওকে) ও ভারত অধ্যুষিত জম্মু-কাশ্মির। ভাইরাসটি নিংয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে অনেকটাই সফল জম্মু-কাশ্মির। বেশ কয়েকটি জেলায় ভ্যাকসিনেশনের হার প্রায় শতভাগ। অন্যদিকে, পিওকেতে এখনো করোনা আক্রান্তের হার বাড়ছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রাইজিং কাশ্মির তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেও পিওকের নির্বাচন কমিশন বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। জাতীয় কমান্ড এবং অপারেশন সেন্টারের আদেশকে (এনসিওসি) অস্বীকার করে তারা এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। যা অঞ্চলটিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।
এমতাবস্থায় বিশেষজ্ঞরা নির্বাচন পেছানোর জন্য আবেদন জানিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে লেখা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, অঞ্চলটিতে করোনার উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে নির্বাচন অবশ্যই পেছাতে হবে।
এ বিষয়ে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সরকারকে দায়ী করেছেন পিওকে প্রধানমন্ত্রী রাজা ফারুক হায়দার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কাশ্মির নির্বাচনে নিজের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। যদি তিনি নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেন তাহলে তাদের সঙ্গে সব ধরনের অন্তরিকতা বাতিল করা হবে।
অবস্থা যেমনই হোক, কোনোভাবেই পিওকে পাকিস্তানের প্রদেশ হবে না, যোগ করেন রাজা ফারুক হায়দার।
অন্যদিকে, সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা জম্মু-কাশ্মিরে। ভারত অধ্যুষিত অঞ্চলটিতে ইতিমধ্যে ৪৫ বছর ও তার ওপরের বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছেন। এর বাহিরে গেন্ডারবল, জম্মু, সাম্বা এবং শপিয়ান এই চারটি জেলায় ভ্যাকসিনেশনের হার শতভাগ।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ইউনিয়ন সম্পাদক বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে বেশ ভালোভাবেই সবকিছু সামাল দিচ্ছে জম্মু-কাশ্মির।
ইত্তেফাক/টিএ