স্মরণ

আঅ্মজায় আমি

 

পৃথিবীতে সব কিছু ধূসর হয়ে যায়, কিন্তুু বাবার ভালোবাসা কখনও ধূসর হয় না। বাবার ভালোবাসা অনেকটা সূর্যের আলোর মত, তেজ ও দীপ্ত। আজ আমি সেই বাবার কথা বলব, যে বাবা একজন প্রজ্জ্বল নক্ষত্র। একজন নিভৃতচারী সাংবাদিক মরহুম আবদুল্লাহ এম. হাসান । ১৯৪৮ সালে ২৭ শে মে বগুড়াতে জন্ম এই সাংবাদিকের। বাংলাদেশের স্বনামধন্য ইংরেজী পত্রিকা - দি বাংলাদেশ টাইমস্, দি সান, দি নিউ নেশন, দি ডেইলী স্টার সহ বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ এডিটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ ছিলেন দি ফিনালশিয়াল এক্সপ্রেস  এর নিউজ এডিটর। মৃত্যুর আগেও তিনি কর্মনিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। পেশাগত জীবন ও ব্যক্তি জীবনে একজন সুখী ও সফল মানুষ।

তাঁর মৃত্যুও পর তাঁর কর্মফল তাকে আরো বেশী সম্মান এনে দিয়েছে। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেনারেল হ্রিস্ট্রি ও সাংবদিকতায় অনার্সসহ ডাবল মার্স্টাস করেন। পরে তিনি সাংবাদিকতায় বার্লিন ফেলোশীপ লাভ করেন।

এক অসাধারণ মায়ার সর্ম্পক বাবা- মেয়ের। হাসপাতালে দরজায় পায়ে আঘাত পেয়েছিলাম। বাবা বলেছিলেন- ” ব্যাথা বেশী পেয়েছিস?”  কোথায় হারিয়ে গেল সেই ভালবাসার ডাক? যখনই আমি অন্ধকারে, হতাশায় নিমজ্জিত হই, তখনই অন্ধকারে উত্স থেকে আলোকদীপ্ত বাবা আমাকে বলতেন, “্এগিয়ে যাও মা, এগিয়ে যাও। আগত সোনালী সকাল তোমার জন্য অপেক্ষমান।

কিন্তুু আমি যে কবিগুরুর ভাষায় বলতে চাই-

“তোমান অসীমে প্রাণমন লয়ে যত দূরে আমি ধাই,

কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু, কোথাও বিচ্ছেদ নাই।”

বাবা, তোমার সাথে আমার কোন বিচ্ছেদ নাই।