পৃথিবীতে মানুষের সঙ্গে সঙ্গে সব পশু-পাখিদের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। কুকুর, বিড়াল, খরগোশ, ইঁদুর এবং গিনিপিগসহ প্রাণীরা যেমন গৃহপালিত প্রাণী, তেমনি প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ রক্ষায় এসব প্রাণীগুলো মুখ্য ভূমিকা পালন করে। সম্প্রতি একটি জাতীয় পত্রিকার প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে, রাজধানীর কাঁটাবনে দোকানগুলোতে বিভিন্ন প্রকারের পাখি, কুকুর, বিড়াল, খরগোশ, ইঁদুর এবং গিনিপিগসহ বিভিন্ন প্রকারের প্রাণী বিক্রি করা হয়। গত ১ জুলাই থেকে করোনা মহামারি উপলক্ষ্যে দেওয়া সরকারঘোষিত কঠোর লকডাউনে এসব দোকানে বিক্রি হওয়া প্রায় ৪০০ পাখি, কুকুর, বিড়াল, খরগোশ, ইঁদুর এবং গিনিপিগসহ কয়েক ডজন প্রাণী মৃত্যুবরণ করেছে। লকডাউনে দোকান খুলতে না পারায় এসব পশু-পাখিগুলো দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন দোকানের মালিকেরা। একদিকে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষাকারী পশু-পাখিদের মৃত্যু হলো এবং লকডাউনের ফলে স্বল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের লাখ লাখ টাকার জিনিস নষ্টও হলো। সারা দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৫ দিন কঠোর লকডাউন শেষে গত ১৫ জুলাই শিথিলে বিভিন্ন দোকানপাট খোলার পর এমন নির্মমতা দেখতে হলো। এমন অমানবিকতা বন্ধ হওয়া দরকার। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষাকারী পশু-পাখিদের রক্ষা করা রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব।
ইয়ামিন খান
গোপালপুর, মুজিব সড়ক, ফরিদপুর