ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
ধোবাউড়ায় মোবাইল ফোন নম্বর বিড়ম্বনায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা পেতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে সঠিক নম্বর দিলেও আসেনি ভাতার টাকা।
দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে সরকার মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ভাতার টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যাতে ঘরে বসেই উপকারভোগীরা টাকা উত্তোলণ করতে পারেন। কিন্তু ভাতার টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসে পাওয়ায় কথা থাকলেও অসংখ্য মানুষের অভিযোগ নিজেদের মোবাইল নম্বরে টাকা আসেনি। কারো কারো টাকা চলে গেছে অন্য নম্বরে। তড়িঘড়ি করে কাজ করতে গিয়ে অনেকের মোবাইল নম্বর ভুল হয়েছে।
উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় সরকারি ভাতাভোগির সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৫ জন। তার মধ্যে বিধবা পাঁচ হাজার ১০ জন, প্রতিবন্ধী দুই হাজার ৫৩ জন ও বয়স্ক ভাতাভোগী ১১ হাজার ১২ জন। তাদের প্রত্যেককে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। বাঘবেড় গ্রামের সাইফুল ইসলাম জানান, তার বয়স্ক ভাতার তিন হাজার টাকা অন্য নম্বরে চলে গেছে। পরবর্তীতে নম্বর ঠিক করলেও টাকা আসেনি। এ বিষয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়েও সমাধান হয়নি। হামিদা খাতুন জানান, তার প্রথম কিস্তির তিন হাজার টাকা পাননি। লাঙ্গলজোড়া গ্রামের নুর ইসলাম জানান, তিনিও বয়স্কভাতার টাকাা পাননি। একই অভিযোগ দেবাল গ্রামের রফিক উদ্দিন, রামসিংহপুর গ্রামের সুফিয়া খাতুন, চারুয়াপাড়া গ্রামের রমিজা খাতুনসহ আরো অনেকের।
ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদুল হক বলেন, তড়িঘড়ি করে টাইপ করতে গিয়ে মোবাইল নম্বর ভুল হয়েছে, আবার কেউ কেউ ভুল নম্বর বলেছে। চেষ্টা করছি বিষয়টি সমাধান করতে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা(অতিরিক্ত দায়িত্ব) রুবেল মন্ডল বলেন, যাদের এমন সমস্যা রয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।