ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশের সভায় বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
যথাযথ বাজার ব্যবস্থার অভাব এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের কারণে একদিকে কৃষকরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত। অন্যদিকে ভোক্তারাও সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ সবজি পাওয়া থেকে বঞ্চিত। নগরবাসীর পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে কৃষকের বাজার স্থাপন করা জরুরি বলে মত দিয়েছে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট। বৃহস্পতিবার সকালে ‘কৃষকের বাজার এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের সহজলভ্যতা’ শীর্ষক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা জানান, ঢাকা নগরবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ‘ঢাকা ফুড সিস্টেম’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় তারা কৃষকের বাজার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মিরপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রূপনগরে কৃষকের বাজার কার্যক্রমের তিন মাসমেয়াদি পরীক্ষমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ন্যাশনাল প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জয়নাল আবেদীন বলেন, পরীক্ষামূলক এই বাজারের সাফল্যের ওপর নির্ভর করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অন্যান্য এলাকায় আমরা এটি বিস্তৃত করতে চাই। হেলথব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডার আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন বলেন, কৃষকের বাজার মানুষকে সবজির উত্পাদন পদ্ধতি সম্পর্কে স্বচ্ছতা দেবে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সাসটেইনেবেল এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কৃষকের বাজারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এখানে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ থাকবে না। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, কৃষকের বাজার গড়ে তুলতে পারলে পরিবহন খরচ এবং দূষণ কমে যাবে।