সাকিবের ত্রিমুকুট

টেস্ট

২১৫

উইকেট

 

ওয়ানডে

২৭৪

উইকেট

 

টি-টোয়েন্টি

৯২

উইকেট

ত্রিমুকুট জয়ী সাকিবকে নিকট ভবিষ্যতেও কেউ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে বাংলাদেশ দলে খেলা বোলারদের কেউ তার ধারে-কাছেও নন।

g  স্পোর্টস রিপোর্টার

সন্দেহাতীতভাবে বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রেকর্ডের বরপুত্রও বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার। গত শুক্রবার বোলিংয়ে ত্রিমুকুট জয়ের গৌরব অর্জন করেছেন অভিজ্ঞ এ বাঁহাতি স্পিনার সাকিব। বাংলাদেশের হয়ে তিন ফরম্যাটেই এখন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী তিনি।

টেস্ট, টি-২০ তে চূড়ায় ছিলেন আগেই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ছাড়িয়ে গেলেন অগ্রজ মাশরাফি বিন মুর্তজাকে (২৬৯ উইকেট)। এখন এক দিনের ক্রিকেটেও দেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি সাকিব। তার ঝুলিতে আছে টেস্টে ২১৫ উইকেট, ওয়ানডেতে ২৭৪ উইকেট, টি-২০ তে ৯২ উইকেট (গতকাল পর্যন্ত)।

যদিও বোলার হিসেবে ত্রিমুকুট আগেই একবার জয় করেছিলেন সাকিব। ২০১৬ সালেই তিন ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। সেবার আব্দুর রাজ্জাকের ২০৭ উইকেট টপকে গিয়েছিলেন এ বাঁহাতি স্পিনার। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একই ম্যাচে ২০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন মাশরাফি-সাকিব। তারপর মাশরাফি পেছনে ফেলেন তাকে। মাশরাফির ক্যারিয়ারে নতুন সূর্য উদয়ের সম্ভাবনা কার্যত শেষ।

ত্রিমুকুট জয়ী সাকিবকে নিকট ভবিষ্যতেও কেউ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে বাংলাদেশ দলে খেলা বোলারদের কেউ তার ধারে-কাছেও নন। ওয়ানডেতে ১০০-এর বেশি উইকেট আছে রুবেল হোসেন (১২৯) ও মুস্তাফিজুর রহমানের (১২৪)। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ ৭৬, মেহেদী হাসান মিরাজ ৫৪, তাসকিন আহমেদ ৫৩, সাইফউদ্দিন ৩৭ উইকেট পেয়েছেন। টেস্ট, টি-২০ তেও সতীর্থদের সঙ্গে সাকিবের ব্যবধান অনেক। 

(উপরের এই পরিসংখ্যান গতকাল পর্যন্ত)