উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাসেবা ব্যাহত

বাঁশখালীতে ডাক্তার ও কর্মচারী সংকট

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন যাবত্ ডাক্তার ও কর্মচারী সংকটে চিকিত্সাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠানের অনেক কিছু নির্ভর করে প্রধান সহকারীর ওপর। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই হাসপাতালের প্রধান সহকারী পদটি শূন্য রয়েছে। অপরদিকে সরকার গ্রাম পর্যায়ে দুস্থ ও অসহায় রোগীদের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিত্সা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ সার্জন নিয়োগের পর ডাক্তাররা সুকৌশল গ্রাম থেকে শহরে চলে যান। বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (চর্ম ও যৌন), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (ইএনটি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (চক্ষু) ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক) পদে আটটিসহ প্রধান সহকারী, সহকারী নার্স, প্রধান সহকারী হিসাব রক্ষক, পরিসংখ্যানবিদ, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট  ডেন্টাল), মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ফিজিও), ফার্মাসিস্ট, গার্ডেনার/হারবাল অ্যাসিসটেন্ট, অফিস সহায়ক, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার (সাকমো) পদে ১৯টি পদ খালি রয়েছে। সর্বমোট ২৭টি পদে ডাক্তার ও কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তারের কারণে দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাঁশখালী হাসপাতালে অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার শফিউর রহমান মজুমদার বলেন, ডাক্তার কর্মচারী সংকটে প্রতিদিন তিন থেকে পাঁচ শতাধিক রোগী প্রতিদিন আউটডোর-ইনডোর চিকিত্সাসেবা নিতে আসে। অসহায় কিছু রোগী টাকার অভাবে শহরে গিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের কাছ থেকে সেবা নিতে পারে না। তাই জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার ও কর্মচারী নিয়োগ দিলে এলাকার মানুষের বিশেষজ্ঞ চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করা যাবে।