কোরআন খতম, দোয়া, কবর জেয়ারতের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যের বরপুত্র, জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের নবম মৃত্যুবার্ষিকী সোমবার নুহাশ পল্লীতে পালন করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে ঢাকার ধানমন্ডি থেকে ভোরে রওনা হয়েও যানজটের কারণে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে আসতে না পেরে এয়ারপোর্ট থেকে ফিরে যেতে হয়েছে তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, সন্তান ও স্বজনদের।
হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন জানান, লেখকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে ভোর সাড়ে ৫টায় ধানমন্ডির বাসা রওনা হয়ে বেলা সোয়া ১০টায় তিনি ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায় পৌঁছান। পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মহাসড়কে তীব্র যানজটের কারণে বাসায় ফিরে আসেন।
তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, এ কারণে সরকারি নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই লেখকের প্রয়াণ দিবসে জনসমাগম হয়, এমন কোনো ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করিনি। অনুষ্ঠান আয়োজনের অর্থ দিয়ে করোনা আক্রান্ত ও স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক মো. সাইফুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সকালে নুহাশ পল্লীর কর্মকর্তা, কর্মচারী, স্থানীয় মাদ্রাসার ইমাম, হিমু পরিবহনের সদস্যদের নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবর জেয়ারত করা হয়। এ সময় কোরআন খতম ও লেখকের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।