ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে কেনাকাটা জমে উঠেছে। রংপুর নগরী ও ত্রিশালের পৌরশহর-সুপার মার্কেটগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। সেখানে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতার পাঠানো খবর :
রংপুর :সোমবার রংপুর নগরীর মার্কেট-শপিংমলগুলো ঘুরে দেখা গেছে মানুষের ভিড়। কারো মুখে মাস্ক আছে আবার কারো মাস্ক নেই। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। নগরীর সুপার মার্কেট, কমিউনিটি সেন্টার মার্কেট, সালেকমার্কেটসহ বিভিন্ন শপিংমলগুলো ঘুরে দেখা গেছে, সকালে ভিড় কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ক্রেতাদের সমাগম। ব্যবসায়ী ফরহাদ হোসেন জানান, মার্কেটে মানুষের অনেক ভিড় থাকলেও কিনছে কম। তবুও পরিবারের লোকজনদের জন্য কেনাকাটায় স্বল্প আয়ের মানুষের প্রধান পছন্দ হয়ে উঠেছে নগরীর ফুটপাতের বাজারগুলো। নগরীর প্রেসক্লাবের সামনে ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী পারভেজ হোসেন বলেন, দোকানে তেমন বেচাকেনা নেই। রংপুর মহানগর দোকান মালিক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ তানবীর হোসেন আশরাফী বলেন, জীবনের সঙ্গে জীবিকার বিষয়টির জন্য দোকানপাট ও মার্কেট-শপিংমলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।
ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) :সরেজমিনে দেখা যায়, ত্রিশাল উপজেলার পৌরশহরের ব্রিজ থেকে থানা রোড মোড় পর্যন্ত দুই পাশে ফুটপাত, ছানাউল্লাহ সুপার মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত, আলতাব সুপার মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত, মেয়র মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতের ওপর গড়ে ওঠা দোকানে অল্প আয়ের মানুষের সমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধ্যের মধ্যে থেকে পরিবারের সবার জন্য নতুন পোশাক কেনকাটার পালা সারছেন অল্প বিত্তের মানুষেরা। রবিবার ত্রিশাল ছানাউল্লাহ সুপার মার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতের বাজারে মেয়ের জন্য জামা-জুতা কিনতে এসেছিলেন ধানীখোলা ইউনিয়নের বাসিন্দা পেশায় রঙমিস্ত্রি কালাম মিয়া। তিন ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে তার সংসার। তিনি জানান, মেয়ের বায়না অনুযায়ী পোশাক কিনে দিতে হবে। তাই এখান থেকেই একটি পোশাক নিতে হলো।
ত্রিশাল সোনালী ব্যাংকের সামনে একটি কাপড়ের দোকানের মালিক আয়নাল হোসেন জানান, ঈদে নতুন জামা-কাপড় কিনতে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছে। জামা-কাপড়ের দাম এখানে তেমন একটা বেশি না। ফলে ঈদ এলেই এখানে স্বল্প আয়ের মানুষের কেনাকাটার ভিড় লেগে যায়।