গফরগাঁওয়ে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার দুই আসামি নিহত

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে যুবলীগের নেতা মতিউর রহমান মোহন হত্যা মামলার দুই আসামি মো. আসাদুল ইসলাম ও মো. সুমন মিয়া র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। রবিবার রাতে গফরগাঁও-ভালুকা সড়কের ভারইল এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত আসাদুল উপজেলার ধোপাঘাট গ্রামের মো. নূরুল হকের ছেলে এবং মো. সুমন মিয়া একই গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে। র্যাবের দাবি, নিহতরা দুষ্কৃতকারি।

সূত্র জানায়, রবিবার রাতে গফরগাঁও-ভালুকা সড়কে টহল দেওয়ার সময় দুষ্কৃতকারীরা র্যাবের একটি টহল দলের ওপর গুলিবর্ষণ করলে আত্মরক্ষার্থে র্যাবও পালটা গুলি ছোড়ে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই দুষ্কৃতকারীকে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখা যায়। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিত্সক ডা. দেলোয়ার হোসেন জানান, সোমবার ভোরে পিকআপ ভ্যানে করে র্যাবের একটি দল ঐ দুজনের লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। তবে হাসপাতালে আনার পথেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় র্যাবের দুই সদস্যও আহত হন বলে র্যাব-১৪-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আবু নাইম মো. তালাত জানান।

উল্লেখ্য, উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে ও স্থানীয় যুবলীগের নেতা মতিউর রহমান মোহনকে গত ৪ জুলাই শিবগঞ্জ বাজার বাসস্ট্যান্ডের যাত্রীছাউনি এলাকায় আসাদুল ও সুমন ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। নিহত মোহনের সঙ্গে আসাদুল ও সুমনের ভেকু দিয়ে মাটি কাটা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনায় নিহত মোহনের পিতা আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে আসাদুল ও সুমনকে আসামি করে গফরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।