স্পোর্টস রিপোর্টার
অনেক আলোচনা, উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা পেরিয়ে চূড়ান্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া দলের বাংলাদেশ সফরের সূচি। গত ২২ জুলাই বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে বিসিবি। এক সপ্তাহের মধ্যে ম্যাচগুলো খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ৩, ৪, ৬, ৭, ৯ আগস্ট ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
অ্যারন ফিঞ্চের নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে সরাসরি ঢাকায় আসবে অস্ট্রেলিয়া দল। সূচি অনুযায়ী আগামী ২৯ জুলাই ঢাকায় পা রাখবে তারা। সিরিজের সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। দিবারাত্রির ম্যাচগুলো শুরুর সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
করোনাকালে অন্যসব সিরিজের মতোই বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজটিও জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরি করে। যেখানে কঠোরভাবে মানা হবে সব নিয়ম। দুই দল থাকবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) শর্ত ঠিক থাকলেও স্থায়ী অতিথি, কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা হোটেলে থাকবেন। তাদেরকে অন্য ব্লকে নেওয়া হয়েছে। পুরোপুরি আলাদা ব্যবস্থাপনায় থাকবেন তারা। এছাড়া আর কোনো অতিথি থাকবে না। হোটেলের খাবার থেকে অন্যসব সেবা বাইরের অতিথিদের জন্য বন্ধ থাকবে।
সিরিজে সম্পৃক্ত ক্রিকেটার, অফিসিয়ালদের ১০ দিন আগে থেকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। যার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে কোয়ারেন্টাইনে হোটেল রুমে বন্দি থেকে ঈদুল আজহা কেটেছে আইসিসির প্যানেলভুক্ত বাংলাদেশি আম্পায়ারদের।
একই নিয়মের বেড়াজালে পড়ে হোম সিরিজটাই খেলা হচ্ছে না মুশফিকুর রহিমের। কোয়ারেন্টাইনের বাধ্যবাধকতায় ছাড় দিতে রাজি নয় সিএ। বিসিবি অনুরোধ করলেও রাজি হয়নি সিএ। তাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দ্বিপাক্ষিক টি-২০ সিরিজে মিডল অর্ডারের বড় ভরসা মুশফিককে পাবে না বাংলাদেশ।
পারিবারিক কারণে ওয়ানডে সিরিজের আগেই দেশে ফিরে আসেন মুশফিক। জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে বের হয়ে যান। তার বাবা-মা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, এখন অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেনও। সিরিজটা খেলতে হলে আরো দুই দিন আগে কোয়ারেন্টাইনে ঢুকতে হতো মুশফিককে। যেটা পারেননি তিনি। জিম্বাবুয়ে থেকে দেশে ফিরে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও সরাসরি হোটেলে উঠবেন।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘মুশফিকের বাবা-মা অসুস্থ, ওকে চলে আসতে হয়েছে। মুশফিক খেলতে চেয়েছিল, কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ছাড় দেয়নি ওদের শর্তগুলো থেকে।’