ইত্তেফাক রিপোর্ট
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের চলে যাওয়া এক কিংবদন্তির প্রস্থান। গতকাল শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এই দেশবরেণ্য শিল্পীর কফিনে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ড. হাছান এ সময় বলেন, ফকির আলমগীর শুধু গণসংগীত শিল্পীই ছিলেন না, তিনি আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে, স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন, এদেশের গণসংগীতকে সমৃদ্ধ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জন্য লড়াই এবং আশির দশক ও নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ফকির আলমগীরের মতো শিল্পী একদিনে তৈরি হয় না। বহু বছরের সাধনায় তিনি হয়ে উঠেছেন কিংবদন্তি। দক্ষ সংগঠক হিসেবে গণসংগীতকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং জনপ্রিয় করে তোলায় তার ভূমিকা অনন্য। তিনি বলেন, ‘বহু কালজয়ী গানের স ষ্টা ফকির আলমগীরের চলে যাওয়া আমাদের গণসংগীত, সংস্কৃতি অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি; আমরা মহান স ষ্টার কাছে তার আত্মার চিরশান্তির জন্য প্রার্থনা করি।’
এদিকে একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য গণসংগীত শিল্পী এবং মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা ফকির আলমগীরের মরদেহে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে প্রয়াত এই গণসংগীত শিল্পীর কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ নেতারা। এ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন।