চীন এমন একটি অভ্যাস যা পাকিস্তান ভাঙতে পারে না

পাকিস্তানের দাসু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে যাওয়ার পথে চীনা শ্রমিকদের একটি বাসে হামলা আবারও বেইজিং ও ইসলামাবাদের মধ্যে সম্পর্ককে জটিল অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের মন্তব্যে এটিকে সন্ত্রাসবাদের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

যদিও পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে কোনোরকম দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। মারা যাওয়া চীনা ইঞ্জিনিয়ার এবং তাদের পাকিস্তানি নিরাপত্তা রক্ষীদের পক্ষে খুব কম কাজ করেছে তারা। তবে এটি উভয় শক্তির মধ্যে স্পষ্ট উত্তেজনা প্রকাশ করেছে।

নিক্কেই এশিয়াতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কাছ থেকে প্রকাশ্য সংঘাতের জনসমক্ষে প্রদর্শিত এই উত্তেজনার সবচেয়ে কৌতূহলীয় দিকটি বিদ্বেষমূলকভাবে দৃশ্যমান। তিনিই আবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে চীনের পক্ষে কথা বলেন। যদিও অবাক হওয়ার কিছু নেই যে, তিনি তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্রের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একমত হয়েছিলেন।

অন্য অনেক দেশ রয়েছে যারা চীনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক উপভোগ করছে, তারা সফলভাবে পরিস্থিতি এড়িয়ে গেছে।

যদিও ঘোষণাগুলো বেইজিংয়ের পক্ষে জয়লাভ করতে পারে, তবে তারা নিঃসন্দেহে ওয়াশিংটনে খারাপ অবস্থানে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতা গ্রহণ করার পর থেকে এখনো তিনি পাবলিকলি পাকিস্তানি কূটনীতিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। একমাত্র উচ্চ-স্তরের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়েছে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান ও তার পাকিস্তানি পক্ষ মঈদ ইউসুফের মধ্যে।

ইত্তেফাক/টিএ