চীনে সফরে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় শীর্ষ কূটনীতিক ওয়েন্ডি শেরম্যান। সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের গোপনে সফরের পর এই প্রথম কোনও শীর্ষ কূটনীতিক চীন সফরে গেলেন। দুই দেশের সম্পর্ক পুনরূদ্ধার করতেই এই সফর বলে ধারণা করা হচ্ছে। উইঘুর মুসলিম এবং হংকং ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে বর্তমানে। এর মধ্যেই এই সফর হচ্ছে। গতকাল রবিবার শেরম্যানের চীন সফরে যাওয়ার কথা। খবর আলজাজিরার
সফরে ওয়েন্ডি শেরম্যানের তিয়ানজিনে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এর সঙ্গে সাক্ষাত্ করার কথা। গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাইবার নিরাপত্তার হুমকির জন্য চীনকে দোষারোপ করেন এবং দেশটির ভর্ত্সনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ন্যাটো, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডা, জাপান এবং নিউজিল্যান্ডও চীনের নিন্দা জানায়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন চীনকে অর্থনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। হ্যাকিংয়ের অভিযোগে মার্কিন বিচার বিভাগ চীনের চার নাগরিককে অভিযুক্ত করেছে। হংকং ইস্যুতেও যুক্তরাষ্ট্র চীনা নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন। চীনও মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এছাড়া দক্ষিণ চীন সাগর নিয়েও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক তলানিতে। তবে মার্কিন কূটনীতিকের সফরে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা হ্রাস পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।