রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদের মধ্যে করোনা পজিটিভ ৮ জন এবং উপসর্গে ৯ জন মারা যান। রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জুলাই মাসের ২৬ দিনে রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে ৪৬০ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী মারা যান ১৪ জুলাই ২৫ জন ও সবচেয়ে কম ৪ জুলাই ১২ জন। এর আগে গত জুন মাসে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে করোনা ও উপসর্গে মারা যান ৪০৫ জন।
রামেক পরিচালক জানান, নতুন মৃতদের রাজশাহীর ১২ (পজিটিভ ৪, উপসর্গে ৮) জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ (পজিটিভ) জন, নাটোরের ২ (পজিটিভ ১, উসগর্স ১) জন, নওগাঁয় ১ (পজিটিভ) জন ও কুষ্টিয়ায় ১ (পজিটিভ) জন। মৃতদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী। তাদের ৭ জনের বয়স ৬১ এর ঊর্ধ্বে, ৬ জনের বয়স ৫১ এর ঊর্ধ্বে, ১ জনের বয়স ৪১ ঊর্ধ্বে, ২ জনের বয়স ৩১ ঊর্ধ্বে এবং ১ জনের বয়স ২১ এর ঊর্ধ্বে।
তিনি বলেন, আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের ৫১৩টি করোনা ডেডিকেটেড বেডের বিপরীতে করোনা ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন ৩৯৯ জন। এদের মধ্যে রাজশাহীর ১৮৩, চাঁপাইয়ের ২৮, নাটোরের ৬৬, নওগাঁর ৪২, পাবনার ৫৩, কুষ্টিয়ার ২০, চুয়াডাঙ্গার ৩, সিরাজগঞ্জের ২, মেহেরপুর ১ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১ জন। আইসিইউতে ভর্তি আছেন ১৯ জন। সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪২ জন। এদের মধ্যে রাজশাহীর ১৬, চাঁপাইয়ের ৩, নাটোরের ৬, নওগাঁর ৬, পাবনার ৮ জন ও কুষ্টিয়ার ৩ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫০ জন।
পরিচালক জানান, রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৩৯৯ জনের মধ্যে ১৭৪ জনের করোনা পজিটিভ রয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ১৪৭ জন। এছাড়াও চিকিৎসা নিয়ে করোনামুক্ত হওয়ার পর ফুসফুসে ইনফেকশনসহ পরবর্তী শারীরিক জটিলাতার কারণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৮ জন।
ইত্তেফাক/এমআর