আগামী ১ আগস্ট রবিবার ‘বিশ্ব বন্ধু দিবস’। পশ্চিমা সংস্কৃতি থেকে উত্সারিত হলেও বন্ধুত্ব সর্বজনীন। তাই এই দিবস পালনে কারোর কোনো আপত্তি নেই। বন্ধু দিবসকে কেন্দ্র করে দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোও নানা ডিজাইনের পোশাকসহ নানা উপহার সামগ্রী তৈরি করছে। এ নিয়ে লিখেছেন নওশীন শর্মিলী
বন্ধু দিবস পালনের মূল শক্তিই হচ্ছে বন্ধুর প্রতি নিঃশর্তভাবে ভালোবাসা, বন্ধুর পাশে থাকা। বন্ধু দিবসে প্রাণের বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে নিশ্চয়ই সবাই বিশেষ আয়োজন করবেন। করোনার কারণে কঠোর বিধিনিষেধের এই সময়ে আয়োজনে ঘনঘটা না থাকলেও প্রিয় বন্ধুর নিশ্চয়ই খবর নেবেন। জানতে চাইবেন—বন্ধু কী খবর বল্? কতদিন দেখা হয়নি...। সামাজিক ওয়েবসাইট ফেসবুক, টুইটার, মোবাইল ফোনে চলবে এসএমএস আদান-প্রদান। শুভেচ্ছা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নিত্যনতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হওয়ায় কার্ডের প্রচলন হারিয়ে যেতে বসেছে। তারপরও বন্ধু দিবসের কার্ড তুলে দেবেন বন্ধুর হাতে বন্ধু। পাশাপাশি ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহার সামগ্রীও দেবেন কেউ কেউ।
মানুষ যুগে যুগেই বন্ধুত্বকে উদ্যাপন করেছে। কিন্তু বন্ধু দিবস কীভাবে এলো? অনেকে মনে করেন, বন্ধু দিবসের প্রচলন শুরু বিভিন্ন কার্ড তৈরির প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে। যেমন, কার্ড বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হল মার্কের প্রতিষ্ঠাতা জয়েস হল। ১৯১৯ সালে তিনিই আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধু দিবস পালনের প্রস্তাব করেছিলেন। এই দিনে বন্ধু দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে, ১৯৩৫ সালে। তারপর ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ দিবসটি সাদরে গ্রহণ করে। তবে এখনো অনেক দেশ তাদের নিজেদের পছন্দসই দিনে বন্ধু দিবস পালন করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে আমাদের দেশেও গত কয়েক বছরে বন্ধু দিবস জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। জাতিসংঘ ২০১১ সালে সাধারণ অধিবেশনে ৩০ জুলাই দিনটি আন্তর্জাতিক বন্ধু (বন্ধুত্ব) দিবস ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আগস্টের প্রথম রবিবার বন্ধু দিবস ধরে নেওয়া হয়।
বন্ধু দিবসের আয়োজন নিয়ে রঙ বাংলাদেশ’র সত্বাধিকারী সৌমিক দাস বলেন, ‘বন্ধু ছাড়া আসলেই মানুষ অচল। বন্ধু ছাড়া আর কেই-বা বোঝে গভীরে, অত ভালো করে। এই সম্পর্ক সবকিছুর উর্ধ্বে। তাই মাঝে মধ্যে এই সম্পর্কটা নবায়ন করার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় উদ্যাপনের। রঙ বাংলাদেশ বন্ধু দিবসকে সামনে রেখে সেই উদ্যাপনের উপাচার সাজিয়ে দিয়েছে আপনাদের জন্য। সামান্য আয়োজনে রয়েছে অসাধারণ আবেগ। বন্ধু দিবসের সংগ্রহে রয়েছে টি-শার্ট, শার্ট, ফতুয়া, শিশুদের পোশাক আর উপহার সামগ্রী হিসাবে আছে মগ, গহনা ও শো-পিস।’
তিনি আরও বলেন, ‘করোনার এই সময়ে বাসায় বসেই অর্ডার করতে পারেন পছন্দের পোশাক। এজন্য সকল ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়াও রয়েছে ক্যাশ অন ডেলিভারির বিশেষ সুযোগ। আনন্দময় হোক বন্ধুু দিবস। দীর্ঘ হোক বন্ধুত্ব।’ বন্ধু দিবসের পোশাক ও উপহার সামগ্রী অর্ডার করতে প্রয়োজনে ভিজিট করুন www.rang-bd.com ও ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh।
মডেল রিয়াদ, সূচনা ও জাহিদ পোশাক রঙ বাংলাদেশ ছবি মুনতাকিম