কাপাসিয়া (গাজীপুর) সংবাদদাতা
কাপাসিয়া উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের চালাবাজারে চিকিত্সক না হয়েও রোগীকে চিকিত্সক পরিচয়ে ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার অভিযোগে এক ভুয়া চিকিত্সককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার রাতে কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. ইসমত আরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিত্সক হলেন মো. জালাল উদ্দিন। তিনি স্থানীয় চালাবাজার এলাকার মো. হাসান আলীর ছেলে। জানা যায়, জালাল উদ্দিন কাপাসিয়া উপজেলার চালাবাজারে মায়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিক নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি নিজেই চিকিত্সক সেজে শিশু ও নারী রোগীদের বিভিন্ন রোগের ব্যবস্থাপত্র দিতেন।
রবিবার সন্ধ্যায় সেখান থেকে চিকিত্সা নেওয়ার পর এক শিশুর ব্যবস্থাপত্র জব্দ করে ক্লিনিকে গিয়ে জালাল উদ্দিনকে দেখালে ব্যবস্থাপত্রের স্বাক্ষর তার নিজের বলে স্বীকার করেন। জালাল ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে নিজে কোনো ডিগ্রিধারী চিকিত্সক নন বলেও স্বীকার করেন। এ বিষয়ে ইউএনও বলেন, চিকিত্সক না হয়েও রোগীকে চিকিত্সাপত্র দেওয়ার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় এবং জালাল উদ্দিনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।