লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে খুলনা ও সাতক্ষীরার ১৪টি ড্রিংকিং ওয়াটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে বিএসটিআই। বিএসটিআই’র জানুয়ারি মাসের বিশেষ অভিযানে ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন-২০১৮’ এবং ‘ওজন ও পরিমাপ মানদ- আইন-২০১৮’ লংঘনের দায়ে এসব মামলা দায়ের করা হয়।
একই সময়ে জ্বালানি তেলে পরিমাপ কম দেওয়ায় মাগুরার মেসার্স সাদিয়া ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার উজ্জ্বল কান্তি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ওয়াটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- খুলনা মহানগরীর কুয়েট এলাকার মেসার্স সেইফ অ্যান্ড সাউন্ড ড্রিংকিং ওয়াটার, দোলখোলার মাউন ফ্রেশ ড্রিংকিং ওয়াটার, বানরগাতির মেসার্স ইফস পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, মেসার্স সাহারা পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার ও নিউ সিটি পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার এবং সাতক্ষীরার মেসার্স শাপলা পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, মেসার্স অনির্বান পানি প্রকল্প, মেসার্স জমজম বিশুদ্ধ খাবার পানি, মেসার্স যমুনা ওয়াটার প্লান্ট, মেসার্স তৃষ্ণা পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, মেসার্স সাতক্ষীরা পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, মেসার্স তৌফিক পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার, মেসার্স বৃষ্টি পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার ও মেসার্স খালিদ পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার।
আরো পড়ুন: সিঁড়ি থেকে ঘরে ঢুকিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা
এছাড়া খুলনা মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকার ফলের দোকান থেকে আপেল, আঙ্গুর, বরই এবং কমলার নয়টি নমুনা সংগ্রহ করে ফরমালিনের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কোন ফরমালিন পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিএসটিআই খুলনার উপ-পরিচালক মৃণাল কান্তি বিশ্বাস বলেন, উল্লিখিত ওয়াটার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছিল। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ এবং ‘ওজন ও পরিমাপ মানদ- আইন-২০১৮’ লংঘনের দায়ে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিএসটিআই এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করবে।
ইত্তেফাক/বিএএফ