প্রতিনিয়ত পালটাচ্ছে প্রতারনার ধরন। একটি জঘন্য প্রতারণা হচ্ছে পাওনাদারকে চেক দিয়ে হয়রানি। একজন পাওনাদার বছরের পর বছর ঘুরে একটি চেক হাতে পায়। চেকটির তারিখ থাকে ৬ মাস বা তারও ওপরে, তারপর ব্যাংককে উত্থাপন, প্রত্যাখ্যান, চেক ডিজঅনার, তারপরে উকিল মোক্তার ইত্যাদি। মামলার আগে এক মাসের উকিল নোটিশ তারপরে নিয়মিত মামলা। শুরু হয় বিবাদি না এলেও বাদির যথাসময়ে হাজিরা, চেক ডিজঅনার মামলাটি জামিন যোগ্য হওয়ায় বিবাদি জামিন নিয়ে, না দেয় ধরা না আসে মীমাংসায় এবং এভাবে চলতে থাকে মাস কিংবা বছরের পর বছর। এই প্রতারণার শিকার হয়ে অনেকেই আজ রাস্তায়। করোনা মহামারি এবং লকডাউনের কারণে ভোগান্তি এখন চরমে, সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পারি, অনেক মামলা ভার্চুয়ালি শুনানি ও জামিন হয়েছে—এটি সুখবর। চেক ডিজঅনার মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিকল্পে আলাদা ভার্চুয়ালি কোট বসানো হলে ভুক্তভোগীরা উপকৃত হবে।
মো. আলম সরকার
রাজামেহার, দেবিদ্বার, কুমিল্লা