বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকা কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বাড়ছে। দীর্ঘ হচ্ছে লাইন। অতিরিক্ত ভিড়ে উপেক্ষিত থাকছে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
সিলেট: নগরীর ওসমানী হাসপাতাল ও পুলিশ লাইনস হাসপাতালে টিকা দেওয়া হচ্ছে; কিন্তু টিকাপ্রত্যাশীদের অত্যধিক ভিড় বেড়ে যাওয়ায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় মঙ্গলবার দুপুরেই টিকা দান বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, টিকা নেওয়ার জন্য ৬০০ জনকে বার্তা দেওয়া হলেও ১ হাজার জনকে টিকা দেওয়া হয়। তারা জানান, আগে বার্তা পাওয়া লোকজন এসে হাজির হন। সিসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম সুমন জানান, যারা বার্তা পাবেন তারাই যদি টিকা নিতে আসেন তাহলে অহেতুক ভিড় এড়ানো যাবে।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: সকাল থেকেই ঝিনাইদহ জেলা সদর হাসপাতালে ভিড় বাড়তে থাকে। তবে সেখানে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে টিকাগ্রহণ করতে দেখা গেছে তাদের। এতে তৈরি হয়েছে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা। সিভিল সার্জন ডা. সেলিনা বেগম জানান, ২য় দফায় জেলায় ৬০ হাজার ৪০০ ডোজ টিকা এসেছে। বুধবার পর্যন্ত ২৬ হাজার ৮৬৪ ডোজ টিকা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিদিন আড়াই হাজার ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।
হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ): বুধবার সকালে হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আদনান আখতার জানান, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামাঞ্চলে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই টিকা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।
কাঠালিয়া (ঝালকাঠি): কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও ভিড় লক্ষ করা গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার তালুকদার জানান, প্রতিদিন ১০০-১২০ জনকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। এখানকার লোকজন ভ্যাকসিন নিতে খুবই আগ্রহী।
ইত্তেফাক/এমআর