একদিকে গেমস চলছে। অন্যদিকে করোনার হানা কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না টোকিও অলিম্পিক গেমসে। প্রতিদিন কোনো না কোনো ক্রীড়াবিদ আক্রান্ত হচ্ছেন। বিশ্বসেরা স্প্যানিশ তারকা গলফার কোভিড আক্রান্ত হয়ে অলিম্পিক গেমস থেকে বিদায় নিয়েছেন। আগে-পরে অনেকেই এভাবে বিদায় নিয়েছেন।
পোলভোল্টের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্যাম কেনড্রিকস করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনিও এবার বিদায় নিয়েছেন অলিম্পিক থেকে। অলিম্পিকে এখন পর্যন্ত ২৪ জন ক্রীড়াবিদ ছাড়াও প্রায় ২০০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের সবাই গেমসের সঙ্গে জড়িত। আইসোলেশনে রয়েছেন ৬৩ জন। করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরের সঙ্গে সঙ্গে আলাদা স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। করোনার খবরে অলিম্পিকবিরোধীদের প্রতিবাদ হচ্ছে টোকিওতে। আয়োজকরা বলছেন, সোমবার পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ৩৮ হাজার ৪৮৪ জন জাপানে এসেছেন গেমসের জন্য। অলিম্পিকের আয়োজক শহরে সাম্প্রতিক সময়ে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ছাড়িয়ে গেছে আগের সব রেকর্ড। প্রথম বারের মতো বুধবার ও বৃহস্পতিবার পরপর দুই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৩ হাজারের বেশি। আসর শুরুর আগে থেকেই অলিম্পিক আয়োজনের বিরোধিতা করে আসছেন জাপানের নাগরিকরা। তবে টোকিওতে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে অলিম্পিকের কোনো যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছেন না আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির মুখপাত্র মার্ক অ্যাডামস। এই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘যতদূর জানি, ক্রীড়াবিদ কিংবা অলিম্পিকে খেলছেন এমন কারো মাধ্যমে টোকিও শহরে করোনা ছড়ায়নি। সম্ভবত পৃথিবীতে আমরাই সবচেয়ে বেশি পরীক্ষা করছি। গেমস ভিলেজে যেভাবে বিধিনিষেধ করা হয়েছে তা ক্রীড়াবিদদের জন্য বলা যায় সবচেয়ে কঠিনতম বিধিনিষেধের লকডাউন এটি।’