লঞ্চ চলাচলের সময় বৃদ্ধির খবরে বরিশাল নদী বন্দরে যাত্রীদের ভীর

লঞ্চ চলাচলের সময়সীমা সোমবার সকাল পর্যন্ত বৃদ্ধির সরকারি ঘোষনায় বরিশাল নদী বন্দরে ভীর করেছেন কয়েক হাজার যাত্রী। বরিশাল নদী বন্দর থেকে কীর্তনখোলা-২, এ্যাডভেঞ্চার-৯ ও কুয়াকাটা-২ নামের তিনটি লঞ্চ রাত ৮টার পর ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। 

সরকারের পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী রবিবার (১ আগষ্ট) বেলা ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের অনুমতি ছিলো। কিন্তু সময় এবং যাত্রী স্বল্পতার কারনে লঞ্চ মালিকরা লঞ্চ ছাড়তে রাজী হয়নি। ঢাকামুখি কারখানা শ্রমিকদের রাজধানীতে যাতায়াতের সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিএ রবিবার দুপুরে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের সময় বৃদ্ধি করে। এই খবর পেয়ে হাজারো যাত্রী ভীর করে বরিশাল নদী বন্দরে। বেশিরভাগ যাত্রী অবস্থান নিয়েছেন লঞ্চের ডেকে। তাদের অনেকের মুখে নেই মাস্ক। মানা হয়নি শারীরিক দূরত্বও। লঞ্চে জীবানুনাশকও স্প্রে করা হয়নি। তারপরও লঞ্চে ঢাকা যাওয়ার সুযোগ পেয়ে খুশী যাত্রীরা। 

বরিশাল-ঢাকা রুটের এ্যাডভেঞ্চার লঞ্চের ম্যানেজার হুমায়ুন কবির বলেন, নদী বন্দর কর্মকর্তার নির্দেশে তাদের লঞ্চটি ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। লঞ্চে যাত্রী তোলা হয়েছে। বিকলে ৪টার মধ্যে লঞ্চের সম্পূর্ণ কেবিন বিক্রি হয়ে যায়। রাত ৮টার পর লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রী নিয়ে বরিশাল নদী বন্দর ত্যাগ করে। 

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক (বন্দর ও পরিবহন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের যাতায়াতের স্বার্থে সরকার সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের সময় বৃদ্ধি করেছে। বরিশাল নদী বন্দরে ৮টি লঞ্চ রয়েছে। তিনটি লঞ্চে যাত্রী উঠানো শুরু করেছে। কাঙ্খিত যাত্রী পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে অপর লঞ্চগুলোও ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। 


ইত্তেফাক/এনএ