স্পিন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় টার্নার

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশে এসে প্রতিটি পদক্ষেপেই নিজেদের নিয়মনীতি মেনেই এগুচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। গতকাল বিকালে অনুশীলনের আগে মাঠ পরিদর্শনে পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছিল দলটি। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়ানরা প্রবেশ করেছিল বিকাল ৪টায়। বাংলাদেশ দলের অনুশীলন শেষে দুপুর ২টার পরই মাঠ কর্মীরা বাইরে চলে গেছেন। তারপর ফাঁকা মাঠে অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ সদস্যের পর্যবেক্ষক দল সব সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণ করেছে। বাড়তি তদারকি শেষেই গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত মিরপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছে অস্ট্রেলিয়া দল। পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজে বাংলাদেশের স্পিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। গতকাল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেছেন অ্যাস্টন টার্নার।

বাংলাদেশে প্রথম বার এসেছেন ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান টার্নার। সঙ্গে অফস্পিনও করেন তিনি। ২৮ বছর বয়সি এ ক্রিকেটারের আশা স্পিন সহায়কই পাবেন বাংলাদেশে। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘ব্যাটসম্যান হিসেবেও আমরা জানি যে, দারুণ কিছু স্পিনারের মুখোমুখি হতে হবে আমাদের এবং কোনো সংশয় নেই যে তারা অনেক ওভার বোলিং করবে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে শেষ কয়েকটি ম্যাচ বার্বাডোজে খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। বার্বাডোজ ও মিরপুরের কন্ডিশনের মিল পাচ্ছেন টার্নার। তিনি বলেছেন, ‘আমি রোমাঞ্চিত, প্রথম বার বাংলাদেশে এসেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজেও প্রথম বার সফর করে এলাম। এখানে যারা আগে খেলেছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে যা বুঝলাম, ওয়েস্ট ইন্ডিজে যেসব উইকেটে খেলেছি, এখানে খুব ভিন্ন কিছু হবে না। স্পিনার হিসেবে আমি রোমাঞ্চিত যে এরকম উইকেট পাব, যেখানে স্পিনারদের সহায়তা থাকে। অস্ট্রেলিয়ায় এটা সবসময় পাওয়া যায় না।’