ইত্তেফাক রিপোর্ট
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এক আলোচনাসভায় বলেছেন, বাংলাদেশ অবজারভারের সম্পাদক ও ভাষাসৈনিক মরহুম আবদুস সালাম ছিলেন নির্ভীক ও সাংবাদিকতার পথিকৃত্। তিনি তার সাহসী লেখনীর মাধ্যমে তত্কালীন পূর্ববাংলার জনগণের প্রতি পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। নতুন প্রজন্মের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের তার মতো নীতি-নৈতিকতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও মানুষের জন্য দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে হবে। তার আদর্শকে ধারণ করতে হবে। আবদুস সালাম, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, জহুর হোসেন চৌধুরীরা সে সময় যেভাবে সম্পাদকীয় প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছিলেন তা অনুধাবন করতে হবে। তাহলেই সম্পাদকীয় প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা হারানো গৌরব ফিরে পাবে। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের আয়োজনে আবদুস সালামের ১১১তম জন্মবার্ষিকীতে গতকাল সোমবার এক ভার্চুয়াল আলোচনায় সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতারা এ কথা বলেন।
বিএফইউজে সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকনের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন আহমদ। আলোচনায় অংশ নেন বিএফইউজে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, বাংলাভিশনের বার্তা প্রধান ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, ইংরেজি দৈনিক দি নিউ নেশনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও সাংবাদিক আবদুস সালামের নাতনি ড. শারমিন মূসা, বিএফইউজের সহ-সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, আবদুস সালাম স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক লোটন একরাম প্রমুখ। রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন, নীতি-নৈতিকতার সঙ্গে আপস করেননি বলে আবদুস সালাম গ্রেফতার ও চাকরিচ্যুতির মুখে পড়েছেন। তবুও সব অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে লিখেছেন।
শওকত মাহমুদ বলেন, আবদুস সালাম সাংবাদিকদের পথিকৃত্ই ছিলেন না, ছিলেন দার্শনিক।