ব্রাহমা জাতের ১৮টি গরু আনা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ঈদুল আজহার আগে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে আসা এসব গরুর মালিকানার দাবি নিয়ে কেউ যাননি। যদিও আমদানিকারক হিসেবে সাদেক অ্যাগ্রোর নাম লেখা ছিল। প্রায় এক মাস পর সেই গরুগুলোর দাবি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন সাদেক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেন। আজ এই রিট আবেদনের ওপর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের একক ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে।
গতকাল সোমবার রিট আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষকে রিটের আবেদনের অনুলিপি না দেওয়ায় শুনানি পিছিয়ে যায়। ঐ আবেদনের অনুলিপি রাষ্ট্রপক্ষকে দেওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছেন আইনজীবী ব্যারিস্টার রহুল কুদ্দুস কাজল।
গত ৫ জুলাই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্রাহমা জাতের ১৮টি গরু জব্দ করে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। গরুগুলো আমেরিকা থেকে টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আনা হয়। ঐদিন ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মোহাম্মদ আবদুস সাদেক জানান, বাংলাদেশে ব্রাহমা জাতের গরু আমদানির অনুমতি না থাকায় এবং গরুর আমদানিকারককে না পাওয়ায় এগুলো জব্দ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গরুগুলোর প্রতিটির মূল্য ১২-১৫ লাখ টাকার বেশি।
ঢাকা কাস্টমস হাউজ জানায়, ১৩ মাস থেকে ৬০ মাস বয়সের এই গরুগুলোর আমদানিকারক হিসেবে মোহাম্মদপুরের সাদেক অ্যাগ্রোর নাম লেখা রয়েছে। তবে বিমানবন্দরে গরুগুলো কেউ নিতে যাননি। পরে গরুগুলো সাভার ডেইরি ফার্মে রাখা হয়েছে। রিটকারী পক্ষের আরেক আইনজীবী মেহেদী হাসান জানান, ১৮টি গুরু জব্দ করা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি মারা গেছে। বাকি গরুগুলোর রিলিজ চেয়ে রিট করা হয়েছে।